কোনো শিল্পকে এগিয়ে নিতে হলে তার ইতিহাস জানাটা জরুরি। বাংলা আবৃত্তিচর্চার ইতিহাস তেমনভাবে লেখা হয়নি। যেটুকু লেখা আমরা পেয়েছি সেখানে হয় বাংলাদেশের, না হয় ভারতের পশ্চিমবাংলার আবৃত্তিচর্চার ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। দুই বাংলা বা ভারতের অন্য কোনো প্রদেশ কিংবা আর কোনো প্রদেশ কিংবা আর কোনো দেশের আবৃত্তিচর্চার কথা সেখানে একসাথে উঠে আসেনি। সেই শূন্যতাকে কিছুটা পূর্ণতা দেওয়ার প্রয়াসে ‘আবৃত্তি-কণা’-র যাত্রা। নানান কৌণিক দৃষ্টিকোণ থেকে মুখ্যত বাংলাদেশ ও ভারতের; গৌণত যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার আবৃত্তিচর্চার খবরও এখানে তুলে ধরা হয়েছে। ভারতের কেবল পশ্চিমবাংলা নয়; ত্রিপুরা, আসাম ও গুজরাট প্রদেশের আবৃত্তিচর্চার তথ্যও এখানে উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে বিনীতভাবে জানাই, ধারাবাহিকভাবে কোনো ইতিহাস নয়; বিচ্ছিন্ন বিভিন্ন তথ্যের মালা গেঁথে বৈচিত্র্যের মাঝে সৌন্দর্যের সন্ধান করা হয়েছে ‘আবৃত্তি-কণা’-য়।