আবুল মনসুর আহমদ এর লেখা ও আহমদ পাবলিশিং হাউজ প্রকাশনীর বই "আবুল মনসুর আহমদ এর ব্যঙ্গ ও রম্যরচনা কালেকশন | Buy this book at 375 BDT from বইসদাই - boisodai.com | Bangladesh | বইপোকা
"ফুড কনফারেন্স" বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা: সাম্রাজ্যবাদী সামন্তবাদী শােষণের ফলে দুনিয়ার শস্যভান্ডার সুজলা-সুফলা বাংলা ১৩৫০ সালে পৃথিবীর ইতিহাসের সর্বাপেক্ষা মর্মান্তিক লােক-ক্ষয়ী আকালের শিকার হইয়াছিল। বাংলার দুইটি শ্রেষ্ঠ প্রতিভা এই হৃদয়বিদারক আকালের বাস্তব ছবি আঁকিয়াছিলেন; শিল্পী জয়নুল আবেদিন আঁকিয়াছিলেন ব্রাশ ও তুলিতে আর আবুল মনসুর আঁকিয়াছিলেন নকশার কলমে। তাঁর অমর সৃষ্টি ফুড় কনফারেন্সই এক নকশা। বেদনার তীব্র কশাঘাত। এই কনফারেন্স পড়িয়াই বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মনীষী অন্নদাশংকর রায় লিখিয়াছিলেন: ‘আয়না লিখিয়া আবুল মনসুর প্রাতঃস্মরণীয় হইয়াছিলেন আর ফুড-কনফারেন্স’ লিখিয়া তিনি অমর হইলেন। অনেক আগের কাহিনী ও চিত্র। ইতিমধ্যে আমরা স্বাধীনতা লাভ করিয়াছি কিন্তু সে চিত্র আজও তেমনি জীবন্ত ও বাস্তব। শস্যভান্ডারে আজও তেমনি আকাল চলিতেছে। তাই আমি ফুড-কনফারেন্স’কে নূতন সাজে সাজাইয়া পাঠকদের খেদমতে পেশ করিলাম। 'আয়না' ফ্ল্যাপে লেখা কিছু কথাবাংলা সাহিত্যে ব্যঙ্গরচনার জগতে আবুল মনসুর আহমদের ‘আয়না’ একটি কালজয়ী গ্রন্থ। ১৯৩৫ সালে প্রকাশিত এই অবিস্মরণীয় ব্যঙ্গ গল্প-গ্রন্থের ভূমিকায় কাজী নজরুল ইসলাম লিখেছিলেন,‘এমনি আয়নায় শুধু মানুষের বাইরের প্রতিচ্ছবিই দেখা সূচীপত্র*মনসুর-জীবনী*মনসুর-রচনা*মনসুর-সাহিত্য*ব্যঙ্গরচনা ও আয়না*আয়নার ফ্রেম : নজরুল ইসলাম*আবুল কালাম সামসুদ্দীন করকমলেষু*হুযুর কেবলা*গো-দেওতা-কো দেশ*নায়েকে নবী*লীডরে-কওম*মুজাদেহীন*বিদ্রোহী সংঘ*ধর্ম-রাজ্য*শব্দার্থ ও টীকা সারাংশ আবুল মনসুর আহমদের ব্যাঙ্গাত্মক রচনা। ব্যাঙ্গ রচনা হলেও গল্পের মাঝে সমাজের প্রধান সমস্যাগুলোর প্রতি তীব্র কটাক্ষ করা হয়েছে। ধার্মিকতার আবরণে সমকালীন সমাজের যে সব ব্যাধি লেখক দেখেছেন, তারই মুখোশ উম্মোচন করেছেন। 'আয়না' বইয়ের প্রায় সব গল্পই ১৯২২ থেকে ১৯২৯ সালের মধ্যে রচিত হলেও প্রায় একশ বছর পরও আয়না দেখে মনে হয় এতো বর্তমান সময়েরই আয়না।