আসমিন কোনো কাল্পনিক নাম নয়। বাস্তব জীবনে এমন একটি চরিত্র চোখে পড়েছিল। তাই সেই আসমিনের প্রতি অনুপ্রাণিত হয়েই এই উপন্যাসটি লেখার প্রয়াস পেয়েছি। আসমিন সাদামাটা প্রকৃতির একজন সহজ-সরল জাতের মানুষ। কিন্তু বড়ই অদ্ভুত! জীবনের অনেক ক্ষেত্রে তার রয়েছে অসামান্য দক্ষতা। কিন্তু অনেক বিষয়ে এই দক্ষতা কাজে লাগাতে পারলেও নিজের অদৃষ্টের কাছে থেকে গেছে অসহায়। যে অদৃষ্ট সৃষ্টিকর্তার নির্দেশে হয়, সেখানে তার হাত নেই। নিজের ভালোবাসাকে হারিয়ে সে বুঝতে পারে―সত্যিই ভালোবাসার মানুষটিকে তথা ইতিকে তার জীবনে পাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু যা একবার হারিয়ে যায়; আগের মতো হয়ে তা আর জীবনে ফিরে আসতে পারে না। কখনো দুজনের একে অপরের প্রতি গভীর ভালোবাসা থাকলেও সে ভালোবাসা সার্থক হয়ে ওঠে না। দুজনের জীবনে যে নিরঙ্কুশ শূন্যতার কালো আঁধার ঢেকে যায়; তা পরস্পরের মাঝেই অদৃশ্য এক বাস্তবতার দেয়াল সৃষ্টি করে দেয়। মন থেকে চাইলেও অনেক কিছু জীবনে সম্ভবপর হয় না।