আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ ও চিংড়ি চাষ" বইটির ভূমিকা থেকে নেয়াঃ বর্তমানে মাছের অভাবের মূল কারণই হলাে লােকসংখ্যা যে অনুপাতে বাড়ছে, সেই অনুপাতে মাছ জন্মাচ্ছে না। আর যে পরিমাণ মাছ জন্মাচ্ছে- সেটা অনেকটা প্রাকতিক উপায়ের উপর নির্ভরশীল। পদ্ধতিগতভাবে ইদানিং মাছ চাষ করা হলেও তার আয়তন বা প্রসার অত্যন্ত সীমাবদ্ধ। এই কারণে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মাছের চাষ করা প্রয়ােজন। যার উদ্দেশ্যেই এই বইটি লেখা। এই বইতে আমাদের ধারে কাছে মজা পুকুর, দীঘি, নালা ইত্যাদিতে যে সহজ পদ্ধতিতে বৈজ্ঞানিক প্রথায় মাছ চাষ করা যায়- সেটা যুক্তিযুক্ত উপায়ে প্রমাণ করে দেখানাে হয়েছে। হিসেব করে দেখা গেছে- আমাদের দেশে যত মজা পুকুর আর ছােট খাট খাল-বিল রয়েছে- সেগুলাের শতকরা ৪০ ভাগও যদি আমরা আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষের আওতায় আনতে পারি তাহলে আমরা আমাদের দেশের সর্বোচ্চ চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও এই মাছ রপ্তানী করতে পারি।