বিরাট নারী-প্রকৃতির অতল থেকে উঠে আসে তার কবিতারা; প্রেম-প্রার্থনায় জড়িয়ে রাখতে চায় ভবচক্রকে। প্রকৃতির ব্যাপ্ত মায়া লেপটে তার কবিতার পঙ্ক্তিরা স্বাধীন পাখিদের মতো ডানা মেলতে চায়; কিন্তু যতই পুরুষ-পৃথিবীর দিকে এগিয়ে যেতে থাকে, ততই তার হাতের কলম অনাহত হয়-মুষড়ে পড়তে চায়। কিন্তু সুলতানা রেবেকা নাসরীন নারী-প্রকৃতির কোমলতার কাছেই কেবল নতজানু থাকতে নারাজ; সঠিক মূল্যবোধে জাড়িত তার চিন্তায় শান দিতে দিতে দ্রোহের পতাকা জাগিয়ে তোলেন। পরিমিতি ও লালিত্যমাখা শব্দ, পরিশীলিত ভাব, সচেতন যতিচিহ্নের ব্যবহারে তার কবিতারা ক্রমশ আলোর দিকেই ধাবিত হয়ে চলেছে।