‘প্রাকৃতিক নিয়ম’ আলাদা কোনো শক্তি নয়; বরং সারা বিশ্বজগত সর্বশক্তিমান আল্লাহ তায়ালারই সৃষ্টি। বিজ্ঞানের কাজ হলো সৃষ্টি নিয়ে গবেষণা করা, যে সৃষ্টির স্রষ্টা হলেন মহান আল্লাহ তায়ালা, আর কুরআন হলো সেই আল্লাহ তায়ালারই বাণী। অতএব, আল্লাহ তায়ালার সৃষ্টি ও তাঁর বাণীর মধ্যে কোনো বৈপরীত্য থাকতে পারে না। যদি বিজ্ঞানের কোনো বিষয়ের সাথে আল-কুরআনের বর্ণনা সাংঘর্ষিক হয়, তবে বুঝতে হবে সন্দেহাতীতভাবে বিজ্ঞান এখনও কুরআনে বর্ণিত সেই বাস্তবতা পর্যন্ত পৈৗঁছতে পারেনি। তাই মানুষের জ্ঞানচর্চা যতো বৃদ্ধি পাবে ও বিজ্ঞানের যতো উৎকর্ষ সাধিত হবে, ততই মানুষ কুরআনের বৈজ্ঞানিক বাস্তবতাগুলো অনুধাবন করতে পারবে। আর গবেষণা অহংবোধ নয়; বিনয় আস্থা ও মুগ্ধতা বাড়ায়। ফ্রান্সিস বেকন (১৫৬১-১৬২৬) যথার্থই বলেছেন- “বিজ্ঞান সম্পর্কে অল্প জানলে আপনি হবেন নাস্তিক আর বিজ্ঞান সম্পর্কে বেশি জানলে আপনি সৃষ্টিকর্তার কাছাকাছি চলে আসবেন।”