সোহম একজন ইতিহাসের ছাত্র। তার বান্ধবী বৃষ্টির বাড়িতে এসে সে সম্মুখীন হয় এক অদ্ভুত গোলকধাঁধার। বৃষ্টির বাবা আশুতোষ সিংহকে প্রায় পঁচিশ বছর আগে একখানা ধাঁধা পাঠিয়েছিলেন তাঁর বন্ধু সোমনাথ দাস। এর সমাধানে নাকি পাওয়া যাবে বাংলার ইতিহাসের এক অমূল্য সম্পদ। সোমনাথ দাসের রহস্যজনক মৃত্যু ঘটে। ইতিহাসের মেধাবী ছাত্র সোহমকে সেই ধাঁধা সমাধানের দায়িত্ব দেন আশুতোষ। শুরু হয় সোহম এবং বৃষ্টির অভিযান। সেই ধাঁধার সমাধানে পাওয়া যায় আরও অনেক ধাঁধা। প্রত্যেকটা ধাঁধা বাংলার ইতিহাসের এক একটা অধ্যায়ের সঙ্গে জড়িত। সোহম-বৃষ্টিকে ধাওয়া করেন আমিরচাঁদ মিত্তল নামে এক অ্যান্টিক স্মাগলার। ঘটে যায় পর পর খুন। যঁারা খুন হন তাঁরা সবাই সোহমকে জানাতে চাইছিলেন কোনো এক গোপন রহস্যের কথা। কী সেই রহস্য যা লুকিয়ে রয়েছে পঁচিশ বছর আগে পাঠানো এই চিঠির মধ্যে? এই গোলকধাঁধার সমাধানে সোহম কোন অমূল্য সম্পদের সন্ধান পাবে? কী হবে সোহম এবং বৃষ্টির সম্পর্কের পরিণতি?