একাধিক উচ্চপদে পেশাগত জীবন যাপন করে, এমনকি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান বিচারপতি লতিফুর রহমানের ব্যক্তিগত চিকিৎসক হিসাবে এবং অনুরূপ কাজ করেও আত্মসুখে আধুনিক ডা. রশীদ তার সর্বস্ব ব্যয় করেননি। নিজ এলাকায় বহু শিক্ষায়তন গড়ে তুলেছেন, যদিও তাতে মাদ্রাসাও রয়েছে। শুধু স্কুল কলেজ প্রতিষ্ঠাই নয়, বহু উচ্চমাত্রিক শিক্ষা ও সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠানের পরিচালনার সাথে জড়িত তিনি। তাতে তাঁর পেশাগত দায় ক্ষুণœ হয়নি। আমার প্রত্যাশা ডা. রশীদের জীবন ও জীবনী গ্রন্থ অন্যদের জন্য প্রেরণা হয়ে উঠুক, তাহলে এ রচনা সার্থক হবে। তাঁর স্বপ্ন সফল হবে। সমাজে শিক্ষাগত বৈষম্য দূর হবে। ডা. রশীদের বিশ্বাসের বড় দিক হলো তাঁর পারিবারিক ও জাতীয় ঐতিহ্যে সমভাবে বিশ্বাস। আহমদ রফিক ভাষাসৈনিক একুশে পদক ও বাংলা একাডেমী পুরস্কার প্রাপ্ত লেখক।