যা আছে বইটিতে: ————————– আলোচ্য বইটিতে মূলত চারটি শিরোনামে আলোচনা করা হয়েছে। 1.এ গৌরব তো শুধু আমাদেরই 2.আমরা তো সেই মুসলমান 3.বাইতুল মাকদিসে 4.একটি বিস্ময়কর ঘটনা যা মানবরচিত নয় প্রথম অধ্যায়টিতে লেখক আমাদের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের কিঞ্চিৎ অংশ তুলে ধরার প্রয়াস পেয়েছেন। ইতিহাস গ্রন্থগুলো সম্পর্কে কিছু কথা বলেছেন। মুসলমানদের ইতিহাস ও জীবনীগ্রন্থের ভাণ্ডার যে কত বিশাল এ সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন। তাবারিসহ প্রচলিত ইতিহাস গ্রন্থসমূহের দুর্বল কিছু দিকও উল্লেখ করেছেন তিনি। দ্বিতীয় অধ্যায়টিতে আকর্ষণীয় ভঙ্গিমায় তিনি মুসলমানদেরকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন তাদের কৃতিত্ব, ত্যাগ-তিতিক্ষা, গর্ব, বীরত্ব আর সাহসিকতার কথা। শুরুটা ছিল এমন- “জিজ্ঞাসা করো আমাদের কথা সিরিয়ার জনপদগুলোকে ও তার বাগবাগিচাকে। জিজ্ঞাসা করো ইরাককে ও তার বিশাল জনগোষ্ঠীকে। জিজ্ঞাসা করো স্পেনকে ও তার শহরগুলোকে। ………………………………………………… ………………………………………………… নিশ্চয় তাদের সবার জানা আছে আমাদের বীরত্ব ও সাহসিকতার কথা, আমাদের ত্যাগ ও আত্মত্যাগের কথা” তিনি স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন আমাদের নির্মিত গৌরবময় স্থানগুলোকে, স্মরণ করিয়েছেন আমাদের পূর্বসূরী মহামনীষীদের। মনে করিয়ে দিয়েছেন এমন ঘটনা যার মধ্যে ফুটে উঠেছে মুসলমানদের মাঝে বিদ্যমান মানবতার মহত্তম রূপ। তৃতীয় অধ্যায়টি সাজিয়েছেন মারিয়াত নামে এক খ্রিস্টান রমণী ও তার স্বামীকে নিয়ে গল্পের মাধ্যমে। গল্পের আড়ালে তিনি তুলে ধরেছেন মুসলমানদেরকে বাইতুল মাকদিস হতে সরানো, খৃস্টানদের বিজয় এবং পরে মুসলমানদের বিজয়- এ বিষয়গুলো। মুসলমানরা যে বিজয়ী হলেও উন্মত্ত হয় না, তাঁদের হৃদয় যে মহানুভবতা ও মানবিকতা দিয়ে ভরপুর- এ বিষয়টি ফুটে উঠেছে উক্ত অধ্যায়ে। খৃস্টানদের অশালীন ও অনৈতিক চরিত্রের বৈশিষ্ট্যটিও প্রমাণিত হয়েছে ঘটনার এক পর্যায়ে। চতুর্থ অধ্যায়ে একটি ঘটনা রয়েছে যেখানে দেখানো হয়েছে মানুষ তার অন্যায়-অপকর্মের শাস্তি এ দুনিয়াতেই কিভাবে পায়।