দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বলি চৌদ্দ বছরের ছোট্ট কিশোরী আনা ফ্রাঙ্ক। পরিবারের সাথে লুকায়িত অবস্থায় তাঁর লিখিত ডায়েরি পৃথিবীর প্রায় সমস্ত ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তাঁর ডায়েরিটি ইউনেস্কোর বুদ্ধিবৃত্তিক ঐতিহ্য সম্পদ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। কিন্তু আনা তাঁর বিশ্ববিখ্যাত ডায়েরি ছাড়াও কিছু গল্পও লিখেছিলেন। সেগুলো খুব বেশি ভাষায় অনূদিত হয়নি। বাংলাতেও নয়। এই প্রথমবারের মতো ফ্রান্স প্রবাসী লেখক খান আনওয়ার হোসেন আনা ফ্রাঙ্কের গল্পগুলো ফরাসি থেকে বাংলা ভাষায় অনুবাদ করেছেন। এ ছাড়া আনা ফ্রাঙ্কের বেড়ে ওঠা, ছেলেবেলা, তাঁর পরিবার ও মানস সম্বন্ধেও আমরা খুব কমই জানি। খান আনওয়ার হোসেন তাঁর গবেষণামূলক অনুসন্ধানে তুলে এনেছেন ক্ষণজন্মা কিশোরী আনা ফ্রাঙ্কের সংক্ষিপ্ত জীবনের পুরোটুকুই। যুদ্ধ সন্ত্রস্ত পৃথিবীতে ‘আনা ফ্রাঙ্ক’ আজও প্রকটভাবে প্রাসঙ্গিক ও অপার এক রহস্যময়ী নাম। আমরা এ ধরনের লেখা সম্বন্ধে যতই জানব ততই যুদ্ধের ভয়াবহতা ও অসারতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে পারব।