আদিল মাহমুদ একজন নীরব ও নিঃশব্দ অনুসন্ধানকারী দহনদগ্ধ কবি। তাঁর শব্দ নির্বাচন, প্রয়োগ কৌশল, অনবদ্য চিত্রকল্প, সৃষ্টি বৈচিত্র্য, নির্মাণশৈলী আনন্দদায়ক। প্রথাগত আবেগকাতরতা, থরোথরো প্রেমময়তা পরিহার করে স্বতন্ত্রস্বাদ রচনায়, ছন্দ ও ছন্দোহীনতায় তিনি অন্যতম। তাঁর ‘আনকাবূত’ কাব্যগ্রন্থে দেখেছি এসব অনুভবী বৈশিষ্ট্য। কবিতায় আদিল মাহমুদ জাগতিক বিপন্নতা থেকে কোনো এক মহাজাগতিক আশ্রয়চেতনার দিকে হেঁটে চলছেন একা। আর উন্মোচন করছেন নৃত্যনন্দন আচ্ছন্নতার জাদুবলয়। নিঃসঙ্গতা ও সময়ের অস্থিরতা স্বত্ত্বেও তাঁর কবিতায় আছে এক ধরনের নম্রতার আবরণ। আনকাবূত কাব্যগ্রন্থে তিনি লিখেছেন, ‘মাটিতে পা রেখেছি বলে আমার পিছু ছাড়লো না! তার থেকে চাই ক্ষমা’। ‘মাটির বুকে ফুলের ঝরে পড়ার মত তুমিও একদিন অনায়াসে ঝরে পড়বে। মাটিতেই মাটি হবে’। কম বয়সী তরুণ এই কবির কবিতার জীবন ও বোধের প্রতি আমার সম্মান রইলো। শাহাদাত জামান