ফ্ল্যাপে লিখা কথা প্রতিভা নাকি প্রতিষ্ঠা ,কোনটির মূল্য বেশি? হয়তোবা দুটোরই। কিন্তু প্রতিষ্টাবিহীন প্রতিভার মূল্য কারো কাছে আছে কি? অনেকের কাছে সেই হয়তোবা। স্ত্রী, প্রেয়সী, ভাই-ভাবী সমাজের আর দশটি মানুষ, এমনটি সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণের কাছেও এই প্রতিভার তেমন কোনো মূল্য নেই। শেষে হতাশা ,শেষে হতাশা থেকে রোগ-শোক আর আত্নবিশ্বাস হারিয়ে ফেলা, অবশেষে আত্নহত্যা। এমনই হতাশার অতল গহ্বরে ছুঁড়ে দিয়ে চরম স্বার্থপরতার আশ্রয় নিয়ে একে একে সটকে পড়েছে ভাই-ভাবী ,স্ত্রী, প্রেয়সী এবং অন্য সবাই। অবশেষে প্রতিষ্ঠা তার এসেছে কিন্তু একটু দেরি হয়ে গেলো, এলো তার আত্নহত্যার পরে। সর্বস্তরের মানুষ তাকে গ্রহণ করলো ঠিক, তবে তা জীবন্ত মানুষটিকে নয়। ব্যক্তিক , পারিবারিক ও সামাজিক জীবনের কঠিন বাস্তবতা ফুটে উঠেছে এ উপন্যাসে। চরিত্রগুলো যেকারো বিবেককে একটু করে হলেও নাড়া দেবে। মানুষের অবিবেচনা প্রসূত লোভ-লালসা, স্বার্থপরতা ও আত্নকেন্দ্রীকতা একটু করে হলেও মুখোমুখি হবে বিবেকের আদালতে।