"ভালবাসার গন্ধ" বইটির কিছু অংশঃ প্রথমে সাত আকাশ কালো করে ঝড় উঠল। আকাশের বুকে গলায় কুণ্ডলী পাকানো কালো মেঘের দল অবরুদ্ধ আবেগে কেঁপে উঠল, গুম গুম গুম! তারপর সোঁ সোঁ হাওয়া। দামাল ছেলের মতো হাওয়া এসে শত হাতে মুছে দেয় মেঘের আলপনা! আকাশের চালচিত্রে তখন শুধুই অপেক্ষা! একদুই-পাঁচ মিনিট অথবা দুই-চার-ছয় যুগের রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষার পর নেমে আসে বহু প্রতীক্ষিত বর্ষা। কূলপ্লাবী বৃষ্টিধারায় ধুয়ে যায় যত গ্লানি! মুছে যায় এ যাবৎ মনোমালিন্য, অশ্রু আর যন্ত্রণার ইতিহাস! অনাবিল বৃষ্টিফোঁটায় কখন মিশে যায় চোখের জল! অনেক দিনের শুকনো ফাটল ধরা রুক্ষ মাটি আবার প্রাণবতী হয় সরস প্রলেপ বুকে নিয়ে! এলোমেলো ছড়ানো-ছেটানো সুবর্ণা শুয়ে ছিল পাশ ফিরে। মুখ গুঁজে রেখেছিল সুজয়ের বুকের ভিতরে। বাঁ হাতে আঁকড়ে ধরেছে সুজয়ের কাঁধ। কোঁকড়া চুলের দাপাদাপি বালিশময়। জানালা দিয়ে হু-হু হাওয়া এলোপাথাড়ি ঢুকে পড়ছে দস্যুর মতো। ঝনঝন শব্দে ভেঙে পড়ে যায় জানালার পাশে রাখা কাচের বাতিদান। সে শব্দেও এতটুকু নড়ে না সুবর্ণা। আলগা হয় না সুজয়ের কাঁধ আঁকড়ে ধরে থাকা হাতের মুঠো। প্রাণ ভরে টেনে নেয় লোমশ বুক থেকে উঠে আসা পুরুষগন্ধ। সে……