কবিতার শরীর নিয়ে হাসতে খেলতেই লেখালেখির শুরু। ঠিক ব্যাকরণিক ব্যাখ্যায় নয়, বরং ভালোলাগার বোধকে ছড়িয়ে দিতেই কাব্যচর্চা। তাই ছন্দের রস, ভাবনার সিঁড়ি কিংবা বেলা শেষে কোনো কিছু হয়ে ওঠার প্রত্যাশার চেয়ে নিজের লেখার প্রতি নিজের ভালোবাসার প্রাপ্তিই অনেক বেশি বড় অনুপ্রেরণা। তাই তো নিজস্ব বোধ অজেয় চৌধুরীর কবিতায় অনেক বেশি আরাধ্য। প্রতিদিনের ঘনঘটা আর জীবনের আস্বাদ তার কবিতার বিয়ষবস্তু। এর মাঝেই হয়তো কোথাও লুকিয়ে আছে ভালোবাসার অনুভ‚তিটুকু, না পাওয়ার হিসেব-নিকেশ এবং জীবনের প্রতি আগামী দিনের চাওয়া-পাওয়া। আর সবার কাছে এই কবিতাগুলো শারীরিক ব্যাখ্যায় বিশ্লেষিত হতে পারে কিন্তু এই কবির হৃদয়ে তা শুধুই জীবনের অব্যক্ত কথা।