ভাত, কাপড়, ভালোবাসা ও অন্যান্য — রাবেয়া রব্বানী | বইপোকা
ফ্ল্যাপে লিখা কথা হেলাল হাফিজের কবিতার মতই নিজেকে মনে হয় নগরের গুটিয়ে থাকা জ্যেষ্ঠ শামুক। লেখালেখি এই গুটিয়ে থাকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়তো। হয়তো শুদ্ধ কিছু আনন্দ বা ঘোরে জড়িয়ে জড়িয়ে থাকার একটা সুন্দর আসক্তি। তবে গল্প লিখতে গিয়ে এই ক্ষুদ্র লেখক জীবনের সবচেয়ে বড় উপলব্ধি হলো, কোন কোন গল্প লেখক কোন ঘটনা দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে লেখেন আর কোন কোন গল্প পুরোপুরি কল্পনা করে। কিন্তু একটি কল্পিত গল্পও কখনো একটা স্বতন্ত্র গল্প হতে পারে না কেননা পৃথিবীর সকল গল্প ঘাঁটলে হয়ত দেখা যাবে এমন ঘটনা হুবহু কোথাও না কোথাও ঘটছে বা ঘটে গেছে। আমি গল্প লিখছি এমনটা প্রায়ই মনে হয় না; মনে হয় ধূসর রঙের কোন ছায়া আঁকছি যার মূল আদল আগেই আঁকা হয়ে গিয়েছে। তাই গল্প লেখা নিয়ে একটি কথা না বললেই নয়, “মূল গল্প মূলত ঈশ্বরেরই লেখা”। “লিখতে বসলেই আঙগুল থেকে সার্চলাইটের মত আলো পড়ে কাগজে লিখে ফেলি ভাগ্যের হাতে হেরে যাওয়া কিছু মানুষের বিবৃতি, ভাবলেন, হাওয়া এসে টুটি চোপে লিখিয়ে দিয়ে যায়? নাতো। সবি উনার বদান্যতা মূল গল্প মূলত ঈশ্বরেরই লেখা”। সূচিপত্র * শ্বাপদ * সম্ভবা * ছায়াপথ * ভাত, কাপড়, ভালোবাসা * একটি ওয়েটিং রুম ও জলছাপ * বিসর্জন * ঝরে পাতা মাদুর পাটিতে * গ্রহণ লাগা মানুষ