সোহানার স্বামী রোড এ্যাকসিডেন্টে মারা যাওয়ার পর দুই মেয়ে নিয়ে চলে আসে বাবার বাড়ি। একসময়ের নিজের বাবার বাড়িকেও পর মনে হতে থাকে ওর। কোথায় যেন বাধো বাধো ঠেকে। শুরু হয় নতুন জীবন। অকস্মাৎ দেখা হয় পুরনো প্রেমিকের সাথে। দুজনই ভুলে যেতে চায় বর্তমান-ফিরে যেতে আকুল হয় অতীতে। বিভোর দুই প্রেমিক আকুলি-বিকুলি করেও এক হতেও হতেও এক হতে পারে না। সোহানা নিজের দুই মেয়ের জন্য এবং আনিছের বউ কাজের মেয়ে রুকুর জন্য। সোহানা কাজের মেয়ে রুকুর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে না। আনিছের বউ রুকু তাদেরই বাড়ির কাজের মেয়ে ছিলোÑ এক সময় আনিছ যদিও বিয়ে করে তাকে তবুও ঠিক মানিয়ে নিতে পারছিলো না। আনিছের জন্য নিজে কষ্ট পায়-এবং কষ্ট দেয় আনিছকেও। একসময় জীবনের প্রয়োজনে চাকরি করতে যখন ঢাকায় আসে সোহানা। তখন দেখা হয় এক পুলিশ অফিসারের সাথে এখানেও জন্ম নেয় নতুন ভালো লাগার। কিন্তু সেটাও পরিণত হয় না। সোহানা পরিচিত হয় আরেক শিল্পপতির সাথে। তাকে ঘৃণা করতে যেয়েও বিয়ে করে ফেলে সোহানা। সোহানা নিজেকে সম্পৃক্ত করে আরেক জীবনের সাথে। দিন গড়িয়ে যেতে থাকে এবং ছোট্ট দু’টি মেয়ে চোখের সামনে দিয়েই কেমন করে লক লক করে বেড়ে উঠতে থাকে। সোহানার মেয়ে দু’টির প্রতি ওর বর্তমান স্বামী হঠাৎ ঝুঁকে যায়। মেনে নিতে পারে না সোহানা। ঘটনার মোর নেয় অন্যদিকে।