নদীর মতো ভালোবাসারও কি জোয়ার-ভাটা চলে? নাকি নদীর মতো সে মরেও যায়! কী জানি, হলে হতেও পারে। তাহলে এই মরে যাওয়ার পিছনের কারণগুলি কী? আমি আর কতটুকুইবা জানি। একটার বেশি প্রেম তো আমার জীবনে আসেনি। তবে গবেষণা করে হলেও তার কারণগুলি বের করা দরকার। নইলে হেলেনার মতো নারীর ভালোবাসা কেন অকারণে মরে যাবে? সে তো হাবিবকে ভালোবেসেছিল রাধার মতোই। জীবনের সব আশা আকাঙ্ক্ষা জলাঞ্জলি দিয়েছিল হাবিবের জন্য। বিয়ের পরও কমতি ছিল না সেই ভালোবাসার। তাহলে হাবিব কেন জমিলার কোলে মাথা দিয়ে স্বর্গ খোঁজে? ভালোবাসার এই জটিল রসায়নের অনুসন্ধান করেছেন গল্প লেখক। অথবা পীরের বাড়ির সেই মেয়েটি ফারজানা নাকি কী যেন নাম; জোর করে পাগলের মতো ভালোবেসে বাড়ির রাখাল সোহরাবকে বিয়ে করেছিল। বলা নেই কওয়া নেই হঠাৎ করে ঘৃণা করতে শুরু করে দিলো। কেন? মানব মনের এই অনেক রঙের উপস্থিতি আর পরিবর্তনের কোন ব্যাখ্যা আজও মেলেনি। অথচ পঙ্গু মহী জীবনে একটি ভুলের জন্য সারাজীবন খেসারত দিয়ে যাচ্ছে। প্রেমের এই নানান রঙ নিয়েই আমার তৃতীয় গল্পগ্রন্থ ‘ভুল মানুষের ঘর’। আপনি যদি গল্পগুলো পড়ে দেখেন প্রেমের জৈব রসায়নের সমীকরণ সহজে মেলাতে পারবেন। ভালবাসার সূত্রগুলো সহজে এসে যাবে আপনার হাতের মুঠোয়।