দু’হাতে নির্মমভাবে পেরেক ঠুসে লাশটাকে সুনিপুণভাবে আটকে রাখা হয়েছে টয়লেটের কাঠের দরজায়। প্রহত চোখদুটো কোটর থেকে ঠিকরে বেরিয়ে এসেছে গালের উপর। কামালের চোখ দেখে মনে হচ্ছে সে বোধ হয় এর আগে সামনে থেকে এমন কাঁটাছেড়া লাশ দেখেনি। লাশটা অনেকটা দুমড়ে-মুচড়ে গেছে, যেন কেউ খুন করেও শান্ত হয়নি। খুন করার পর হাড় ভেঙে অসাড় করে দিয়েছে। লাশের গায়ে অর্ধ পরিহিত সাদা শার্ট রক্তে ভিজে আছে। একটি বোতামও নেই। মনে হচ্ছে কেউ এক টানে শার্ট খুলে শরীর থেকে আলাদা করে নিতে চেয়েছিল। এসআই সমির কলমের মাথাটা দিয়ে শার্টটা বুক থেকে সরিয়ে দিতেই যে চিত্র বেরিয়ে এল সেটি দেখার জন্য প্রস্তুত ছিল না কেউই।