সমাজ থেকে উত্থিত, জীবনে গ্রথিত প্রেম হলো বিবর্ণ! কৈশোরের নেশা, প্রত্যাশা, জীবন সম্পর্কে উচ্চাশা-সবই মানব জীবনে আসে। প্রেমে মানুষ পড়েই। অনন্ত, রাজ, হীরা, সুপ্তিও প্রেমে পড়েছে। নারীর প্রেম বাস্তবতা খুঁজলেও নারী হেয়ালী। নারী ও নদী সমার্থক। কখন কোন দিকে বাঁক নিবে তা বুঝা অসম্ভব। এই প্রকৃতি নারীকে স্বাধীনতা দেয়নি, যতটুকু স্বাধীনতা পুরুষ পেয়েছে! পুরুষ তাই সদ্যোজাত বাছুরের মতো লাফায়। বাস্তবতার জোয়াল যখন ঘাড়ে আসে তখন সে কাঁদে। এ কান্না আফসোসে, নীরবে অশ্রুহীন। বোবার মত নীরব অনুশোচনা। উপন্যাসটির কাহিনি মেঘনার চর থেকে শুরু করে শহরে বিচরণ করেছে। গ্রামের মানুষ আর শহরের মানুষের মধ্যে চালচলন, পোশাকে ভিন্নতা থাকলেও প্রেমে-আবেগে-কষ্টে ভিন্নতা নেই। এই উপন্যাসটিতে সেই ছবি অঙ্কনের চেষ্টা করা হয়েছে। পড়ার পর কারও ভালো লাগলে পরিশ্রম সার্থক মনে হবে।