ওরা হাঁটতে পারে, ওরা কথা বলতে পারে। অবিকল মানুষ না হলেও দেখতে-শুনতে মানুষের মতোই। কাজকর্মেও ওস্তাদ। কেউ কেউ নাচতে পারে, গাইতে পারে। খেলতেও পারে। কেউ কেউ বুদ্ধিমান, কেউ কেউ আবার স্নেহমাখা, অনুভূতিশীল। হ্যাঁ, ওরা রোবট। বিজ্ঞানের এক আশ্চর্য আবিষ্কার রোবট। বিজ্ঞানীদের ধারণা, আগামীতে এই রোবটরাই দাপিয়ে বেড়াবে পৃথিবীটা। হবে সব কাজের কাজি। একসময় এরা ছিল শুধু কল্পকাহিনির নায়ক, আর আজকে তারাই ধুলোমাটির পৃথিবীতে হেঁটে চলে বেড়াচ্ছে। বিজ্ঞানীরা রোবটকে মানুষের সমকক্ষ করে তুলতে চাইছেন। রোবটকে মানুষের আদল দিলেও, জ্ঞানবুদ্ধিতে, চিন্তাভাবনায় রোবট যাতে মানুষের মতোই হতে পারে তারই চেষ্টা করছেন তাঁরা। হয়তো দেখা যাবে মানুষের তৈরি রোবটই একদিন ফ্র্যাংকেনস্টাইনের মতো মানুষের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিজ্ঞানের এই অবাক বিস্ময়, আশ্চর্য চমক রোবট এল কীভাবে? কোত্থেকে? আগামীতে এই কৃত্রিম মানবরা পৃথিবীতে কী ভূমিকা রাখবে, সে-সম্পর্কে আমার মতো অনেকেরই মনে নানা প্রশ্ন জাগে। সেইসব কৌতূহল নিবারণ করতে গিয়েই ‘বিজ্ঞানের অবাক বিস্ময় রোবট’ বইটি লেখা। মাহমুদ খুরশিদ