বিজ্ঞানী বলতেই সেই একই চিত্র চোখে ভেসে ওঠে। ঝাকড়া চুল। রুক্ষ মন। রষ-কষহীন কথাবার্তা। ভীষণ একগুঁয়ে। জনজীবন থেকে বিচ্ছিন্ন। বড়ই নিরানন্দ তাদের জীবন। তাদের জীবনে প্রেম থাকতে পারে, এমনটা কেউ বিশ্বাসই করতে পারেন না। কিন্তু বিজ্ঞানের ইতিহাস পড়লে আর বিজ্ঞানীদের জীবনী জানলে এমন কথার ভিত্তি আর থাকে না। নড়েচড়ে বসতে হয়। বিজ্ঞানীরাও প্রেমে পড়েন। তারাও সমাজের সব মানবিক আবেগ দ্বারা প্রভাবিত হন। কারণ তারাও যে মানুষ। শুধু তাই নয়, কোনাে কোনাে বিজ্ঞানীর ক্ষেত্রে প্রেমই যেন তাদের সফলতার রহস্য! স্টিফেন হকিং স্বীকার করেছেন, প্রেমিকা সাহস না দিলে তিনি ২৩ বছরেই হাল ছেড়ে দিতেন বাঁচার। আমরা হয়তাে আজকের বিজ্ঞানীকে আর পেতাম না। দিমিত্রি মেন্ডেলিফ তাে প্রেমিকাকে লিখেছিলেন, ‘যদি ভালাে না বাসাে, তবে প্রাণে মারা যাব!' নােবেলজয়ী বিজ্ঞানী বার্ট স্যাকম্যান তাে এক ভার্সিটি ছেড়ে আরেক ভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছিলেন। কারণ ওখানে তার প্রেমিকা থাকতেন! এরকম ৩০ বিজ্ঞানীর প্রেমের গল্প এই বইতে রয়েছে। প্রতিটা গল্পই যেন প্রেমের একেকটি অমরকাব্য।