দবিরের ঠুনকো কথায় রাবু যে আত্মহত্যা করবে তা সে কল্পনাও করতে পারে না। যদিও এমন করে বলা মোটেও ঠিক হয়নি দবিরের। অথচ দবিরের অনাহূত জীবনের আর দ্বিতীয় কোনো স্বপ্ন ছিল না। তবু রানু অভিমান করে চলে যায়। আনু পালিয়ে যেতে চায়নি, অনেকটা বাধ্য হয়েই রাতের আধারে পালিয়ে যায়। যখন ফিরে আসে তখন বেলা অনেকখানি হেলে পড়েছে। অথচ শিলাকে সে কতই না আপন করে চেয়েছিল তার ভরা যৌবনে। সেই পাওয়া হয়তো স্বার্থক হলো শেষ জীবনে কিন্তু ততক্ষণে জীবনের বসন্তবেলায় বিকেল হয়ে পড়েছে।