গ্রন্থ যখন পাঠ্য হয়ে যায় তখন তা সুপাচ্য কিনা তা আমরা ভুলে যাই। বাংলায় অনার্স ও এম.এ. ডিগ্রির ছাত্র হওয়ায় সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ (১৯২০-১৯৭১) আমাকে পড়তে হয়েছে। কিন্তু “লাল শালু” উপন্যাসটি আমি বহু আগেই পড়েছি। সম্ভবত তাঁর সব লেখাই আমি পড়েছি। কিন্তু বাংলা একাডেমি কেন তাঁর রচনাসমগ্র প্রকাশ করেনি ভেবে অবাক হই। “চাঁদের অমাবস্যা”, “কাঁদো নদী কাঁদো” এই দুটি উপন্যাসে তিনি বাংলা গদ্য নিয়ে অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। তিনি একজন ফরাসি মহিলাকে বিয়ে করেছিলেন এবং আমৃত্যু ফ্রান্সে কাটিয়েছেন। “বহিপীর”, “তরঙ্গভঙ্গ” এবং “সুড়ঙ্গ” তাঁর গুরুত্বপূর্ণ নাটক। তাঁর উপন্যাস “লাল শালু” ইংরেজি ও ফরাসি ভাষায় অনুদিত হয়। আমার বর্তমান গ্রন্থটি তাঁকে উৎসর্গ করা হলো।