শরীরের আর মনের মধ্য ব্যথা বেদনার বিষ। সেই সঙ্গে মুখেও একটু ঢেলে দিয়ে পান করে নিলেন। আর চলে গেলেন না ফিরার দেশে। বিষাক্ত একটা মুহূর্ত জরিনার জীবনের শেষ নিশি। বিষযুক্ত রজনিতে সে চলে গেছে। সকালের আলো আর দেখতে পাবে না। এই ভূখণ্ডে আর জরিনার পায়ের তালুর ছাপ পরবে না। সে চলে গেছে, অনেক অনেক দূরে। আর কখনো ফিরে আসবে না। বুকে অসম্ভব ভালোবাসা নিয়েও বিশ্বাস অবিশ্বাস অভিমানের কাছে হোঁচট খায় আজরাফ রুমানা নামের দুটি নর নারী। অবিশ্বাসের ছিটেফোঁটা মনে গেঁথে ভালোবাসার বাঁধন বিচ্ছিন্ন করে দেয় আজরাফ। কিন্তু রূপের সাগর রুমানাকে ছাড়া একটি মুহূর্তো তার ভালো কাটে না। রুমানাও মনে অভিমান তৈরি করেও সে নিজেই সেই অভিমান রাখতে পারছে না। দু’জন দুজনার প্রতি অতি দুর্বলতা থাকার কারণে নিজেদের কে বিষাক্ত শূন্যতা থেকে ফিরিয়ে আনে এই নর নারী। এখন তাদের বিশ্বাস তাদের এই বাঁধন কেউ ছিঁড়তে পারবে না। যা বিশ্বাস আর ভালোবাসা দিয়ে নতুন করে মোড়ানো। বিষাক্ত রজনীতে, জরিনা নামের একটি নারীর বিষাক্ত কিছু মুহূর্তো। আর বিষাক্ত শূন্যতায়, দুটি নর নারীর শূন্য পরিস্থিতি। তাদের একে অপরকে ছাড়া কিছু মুহূর্ত কাটানো অনাদিকালের মতো মনে হওয়া। এই দুটি গল্পের বিষযুক্ত মুহূর্তগুলো অবলম্বন করে গ্রন্থের নামকরণ করেছি ‘বিষাক্ত’।