কুলসুম একটু আগে রেবেকাকে এসে বলেছে সে প্রেগনেন্ট। প্রেগনেন্সি সব সময়ের জন্যই সারপ্রাইজিং । কিন্তু এই ক্ষেত্রেসার্প্রাইজটা রেবেকার জন্য অন্য রকম । কুলসুম অবিবাহিত। এই মেয়ে প্রেগনেন্ট কেন হবে? কি সমস্যা? সমস্যা জানার জন্যরেবেকা দরজা লাগিয়ে আলাপ করছে। -কইতে মানা করছিল। -তাহলে আজ বললি কেন? -সকালে চড় দিছে। রাগের চোটে কইয়া দিছি। -আর কাকে কাকে বলেছিস? কুলসুম মাথা নাড়লো। তারমানে অন্য কাউকে বলেনি। তবে আজ চড় দিয়েছে তাই বিচার নিয়ে এসেছে। কাল আবার চড় দিলেঅন্যকাউকে বলবে। বিছানায় রাখা মোবাইল বাজছে। স্ক্রিনে নাম উঠেছে, কুলসুম ফাদার। নামটা দেখেই রেবেকার মাথায় রক্ত উঠে গেলো। পাজি মেয়ে নিশ্চই তার বাপকে জানিয়েছে। এদের বিশ্বাস নেই। এখন বাপ বেটিমিলে তাকে আর তার পরিবারকে ব্লাকমেইল করবে। -তোর খালু এই ঘটনা প্রথম কবে করেছে? বল তোদের এই লাইলি মজনু খেলা কবে থেকে। -খালু তো কিছু করে নাই। -তাহলে? কে করেছে? কথা বলছিস না কেন? এই হারামজাদি, কথা বলছিস না কেন? কুলসুম মাথা নিচু করে বললো, ভাইয়া। কুকর্ম করেছে রেবেকার আদরের ছোট ছেলে।