নিয়ত চর্চায়, চর্যায় মোহাম্মদ জোবায়ের-এর এই পরিণতিপ্রবণ জার্নিতে 'কবিতা কণ্টক ফুল উৎকর্ষের সীমানা ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায়। ছন্দিত দোলাচল, ঝাঁকুনি, তরঙ্গে-বিভঙ্গে। শব্দাতীত আবহে বা মন্ডিত কী এক মোহে বনপাখি বলে গেছে শীর্ষক কবির এই মৌলিক সাম্প্রতিকী যেন কোনো এক অধরা ও অপার্থিব ছায়াচ্ছন্ন প্রেমে উপরন্ত নিরন্তর তাড়নায়, অতিমারীর অভিঘাতের ভাষ্য রচনায় শিল্পিত কালোয়াতি ও স্বতঃস্ফূর্ত স্ফূর্তিতে সার্থকতার দুরূহ চুড়ো স্পর্শ করেছে। বলা ও না-বলা বা প্রকাশ বা অপ্রকাশ্য বোধ ও বোধির মেলবন্ধনের এত্যেসর নান্দনিক চিত্রকল্পসমুদয়, রূপকল্পের বোঝা ও না বোঝার আলো আধারির রহস্যময়তায় নৈর্ব্যক্তিক ও সরলীকৃত শুদ্ধতার মৌলিক মোহাম্মদ জোবায়ের -এর এতদ কবিতাসমূহ বাংলা কবিতার ধারাক্রমে সবিশেষ চিহ্নপ্রতিম। বনপাখি বলে গেছে; ... কী? কেন? কোথায়? কীভাবে? কাকে এই প্রকাশ অভীদা। এই জিজ্ঞাসার প্রত্যুত্তরাই মূলত কবিতা- ‘না-বলা বাণীর ঘন যামিনী'তেই যার অধিবাস। বস্তুত যা কবি ও কবিতার চির-অন্বেষণ। আবু মুসা চৌধুরী কবি