ছায়ান্ধকার মূলত মানুষের অবচেতনের তুরীয় রূপ । জাদুময় নীরবতায় এক অর্ধ-স্বপ্নময় অবস্থার ভিতর তৈরি হয় নানান অনুভব নিয়ে প্রতিটি চরিত্র। এই গল্পগুলির ভিতর দিয়ে উন্মোচিত হয়েছে সেইসব চরিত্র যারা আবিষ্কার করে নিজেকে, তার চারপাশের জগতকে, সময়ের বিচিত্রতাকে, এবং নিজের ছদ্মবেশকে। অবচেতনের বুদবুদগুলো নিজেদের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে ক্রমেই হয়ে ওঠে সূক্ষ্ম আতশকাচ যার ভিতরে ধরা পড়ে বিষাদ, প্রেম, আতঙ্ক, জীবন-যাপনের নানা স্পন্দন। চারপাশের জীবনের কিছু কণ্ঠস্বর, কিছু সৌরভ, ‘কিছু আচ্ছন্নতা' কিছু একান্ত জ্যোৎস্না নিয়ে ছায়ান্ধকারের কালো অক্ষরগুলো।