কাহিনি সংক্ষেপ: একটি বন। সেখানে মাংসাশী প্রাণীদের হিংস্রতা ছিল। আর সে বনের নিয়ম অনুযায়ী ইচ্ছে হলেই তারা তৃণভোজী ছোটোপশুদের মেরে খেত। এ বিষয়টা নিয়ে তৃণভোজী প্রাণীদের মনে কষ্ট ও ক্ষোভ ছিল। তাই দিকপাল সিংহ রাজা হওয়ার পর বনের এই বদলে দেওয়ার পরিকল্পনা করলেন। তিনি সকল প্রাণীকে তৃণ-লতা ভোজী করে তুলতে চাইলেন। ফলে একসময় তিনি সে বনে মাংস আহার নিষিদ্ধ করেন। তাতে ক্ষুব্ধ হয়ে কয়েকজন সিংহ ও বাঘ সদস্য নিয়ে স্বয়ং রানি শিলি সিংহী বিদ্রোহ করেন। তবে রাজা শক্ত হাতে সে বিদ্রোহ দমন করেন। নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে শেষপর্যন্ত রাজা দিকপাল সিংহ সে বনে হিংস্রতামুক্ত একটি পশুসমাজ প্রতিষ্ঠা করেন এবং তৃণভোজী প্রাণীদের বাঁচার অধিকার নিশ্চিত করেন। বনটি হয়ে ওঠে তৃণভোজী ছোটোপশুদের নিরাপদ বন। ‘ছোটোপশুর বন’ একটি শিশু-কিশোর উপন্যাস।