ছোট্ট থেকে দাদু ছায়া হয়ে আগলে রেখেছেন তাঁর রুপুকে, কিন্তু রুপশ্রী হাঁপিয়ে উঠেছে চার দেওয়ালের মাঝে। কী এমন ঘটবে রুপশ্রীর জীবনে, যার জন্য ও মরিয়া হয়ে উঠবে সমস্ত ভয় ভেঙ্গে পরাধীনতা থেকে চিরতরে মুক্তি পাওয়ার জন্য? কিংশুককে বন্ধুরা শান্ত শিষ্ট চুপচাপ গোছের ছেলে হিসেবেই জানে। কিন্তু কিংশুকের জীবনে যে ঝড় উঠেছে তার আভাস কি কোনোদিনও বন্ধুরা পাবে? দয়িতা স্বেচ্ছাচারী। নিজের জীবনে কারও হস্তক্ষেপ পছন্দ করে না সে। ওর এই বেপরোয়া মনোভাবই কি একদিন ওর পরিচয় করাবে নিজের সঙ্গে? সাগ্নিক ওর প্রেমিকাকে নিয়ে বেশ ছিল নিজের জীবনে। কিন্তু হঠাৎ সেদিন বাড়ির চিলেকোঠায় সাগ্নিক খুঁজে পেল ওর প্রথম ভালোবাসার চিহ্ন কে! তারপর? আমাদের বাড়ির মত, আমাদের সকলের মনেও একটি করে চিলেকোঠা থাকে। সেখানে কখনো লুকিয়ে থাকে কিছু গোপনতা, কখনো আলগোছে পড়ে থাকে পুরনো ভালোবাসা, কখনো বা চাপা পড়ে যায় কিছু ফেলে আসা সম্পর্ক, আবার কখনো সযত্নে আশ্রয় নেয় অতীত স্মৃতিবিধুরতা। তিতাস, কিংশুক, ঝুলুক, আর্য, রুপশ্রী, সাগ্নিকদের চিলেকোঠায় কী রয়েছে? ঝরে পড়া পাতার আত্মকথা, নবজাতক কুঁড়ির স্বপ্নকথা, নাকি একটি চিরস্থায়ী বসন্তের রুপকথা? আমাদের মনকুঠুরিতে জমে থাকা বিন্দু বিন্দু ভালোবাসার উপন্যাস “চিলেকোঠা”। আমাদের এই উপন্যাসে ভালোবাসা বহুমাত্রিক। চরিত্রদের ভালোবাসা খুঁজতে হয়নি, বরং ভালোবাসা খুঁজে নিয়েছে তার উপযুক্ত চরিত্রদের। কিন্তু ঘাত প্রতিঘাতের ধাক্কা সামলে, বিশ্বাস ভঙ্গের মেদুরতা মেখে, বিষণ্নতার প্রাচীর টপকে ভালোবাসা কি পরিতৃপ্তি পাবে চিলেকোঠায়?