”চক্র” বইয়ের প্রথম ফ্ল্যাপ এর লেখা : “তারপর আর কোনাে দিন ঐ বাড়ীতে যাইনি। ওদের ফোনও রিসিভ করেনি। জানতেও চায়নি কখনও রাদিনের কোন খবর। স্বল্প সময়ের মুক্তিদাতার সুখ নিয়ে আমি চার পার্শ্বে আজও তাকাই, কেউ একজন অসম্ভব সব ভালাে লাগায় সৃষ্টি করুক আমাদের শিক্ষিত হয়ে ওঠা” -মুক্তিদাতা “দশ বছর ধরে হাইস্কুলের বিএসসি টিচার তিনি। বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে চক্র যেমন খাদ্য চক্র, পানি চক্র, কার্বন চক্র অনেক ভালাে বােঝান বলে ছাত্রদের অভিমত। অনেকে সম্মান করে বা ব্যাঙ্গ করেই তাকে বলে ‘চক্র স্যার। এখন তাে আবার সম্মান-অসম্মান পাশাপাশি থাকে একই অবয়বে কখন কোনটা আসে বলা কঠিন চিহ্নিত করাও কঠিন।” -চক্র “স্বপ্নিল কিছু বুঝে ওঠার আগেই গালে একটা চড় অনুভব করে। জীবনে প্রথম (হয়তাে)। মাথাটা ঝিম ঝিম করতে শুরু করে। আবার আনারুল হকের হুংকার শুনতে পায়, পরীক্ষায় পারে না। কেবল নীতি কথা! রেজাল্ট বের হয়। ওয়েটিং লিস্টে স্বপ্নিল! কোন মেডিক্যাল কলেজেই ভর্তি হতে পারে না স্বপ্নিল। এবার আনারুল হকের নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছেলের সেকেন্ড টাইম মেডিক্যাল ভর্তি কোচিং শুরু হয়। স্বপ্নিল দিন গােনা শুরু করে, একদিন... দুইদিন...। মুক্তির প্রতীক্ষায়!” -নষ্ট সময়