চান্দেলা রাজবংশ ধীরে ধীরে গড়ে তুলেছিলেন খর্জুরবাহো, অধুনা খাজুরাহোতে একের পর এক মন্দির যার প্রাচীরে সারিবদ্ধভাবে খোদিত অজস্র মিথুনমূর্তি। অপূর্ব সেই কারুকার্য দেখে কেউ মুগ্ধ হয়, কেউ বা হয় রিপুতাড়িত,যার দৃষ্টি যেমন। বস্তুত এগুলি যুগলমূর্তি আর সেইসঙ্গে আয়নাও যা সামনে এনে দেবে দর্শকের নিজস্ব রুচিবোধ, মনের গভীরে চেপে থাকা অনুভূতিও। বলা হয় চান্দেলা রাজবংশের রাজপুরুষেরা তাদের আদি পিতা চন্দ্রদেব ও তাদের আদিমাতার পাপস্খলনস্বরূপ নির্মাণ করিয়েছিলেন এইসব মিথুনমূর্তি। চন্দ্রদেবের চিত্তবৈকল্যের সাক্ষ্য তো ছড়িয়ে রয়েছে পুরাণের পাতায়। কিন্তু এ কি শুধুই মন্দিরের গল্প? নাকি সঙ্গে রয়েছে ইতিহাসের স্পর্শও? কোন কুখ্যাত দস্যুর বিজয়যাত্রা রুখে দিয়েছিল এই খর্জুরবাহো? কখনও ভেবে দেখেছেন এই সারিবদ্ধ যুগলমূর্তিগুলি কী বলতে চায়? ইতিহাস ফিসফিস করে বলে চলে আজও তারা। সেই ইতিহাস গল্পের ছলে লেখকের কলমে...