ফ্ল্যাপে লিখা কথা এ উপন্যাসের কাহিনীর শুরু চর মেঘনামতির পটভূমিকার বৈরী প্রকৃতি, ট্রলার আর পিটামিয়া জেলের সাথে খেটে খাওয়া হতদরিদ্র জেলেদের হেরে যাওয়া জীবনের চালচিতে সুর শিল্পী ফেরারী দীনুর আত্নানুসন্ধানের মধ্যে দিয়ে। দীনুর সুরের মুর্চ্ছনা ওদের জাগিয়ে তোলে, দুই ক্ষমতালোভী দলের রেষারেষি থেকে সুজন পাটনি নিজেদের গোত্রের মানুষগুলোকে সরিয়ে রাখতে চেষ্টা করে। চর দখলের দাঙ্গায় মৃত হাবলুর স্মৃতি বুকে নিয়ে আজও বেঁচে আছে কানিবুড়ি। অপয়া পাকির মধ্যে দীনু ময়নার প্রতিচ্ছায়া দেখল।দীনুকে ভালোবেসেও কুলসুমকে ঘর করতে হল অন্যের। চরের সেরা সুন্দরী সখিনাকে ছোয়া জোয়ারদার অবৈধ জীবন যাপনের বাধ্য করে। দাঙ্গায় প্রতিপক্ষের বন্দুক আর বোমার কাছে চরুয়াদের লাঠি আর সরকির হার হল। দীনুকে পালাতে হল আবারও। যখন যখন ফিরে এল, চর মেঘনামতি তখন একরাতে বাড়িঘর মানুষজন নিয়ে নদীতে তলিয়ে গেছে, স্মৃতি নিয়ে আছে শুধু পবন বদ্যি, মেঘনামতির পালা বেধে জনপদে জনপদে শোনায় দীনু, মানুষ জাগবে এই আশায়।