: হ্যালো আঙ্কেল। পেছন ঘুরে দেখি, গাধাটা চ্যাঁচাচ্ছে। আজব একটা জিনিস! : হ্যালো আঙ্কেল ড্রাইভার। (ড্রাইভার ঘুরে তাকালো) : প্লিজ এসি অন। হট ফিলিং। সান আপ... শীতের কাপড় পরে বের হয়েছি। সবারই গরম একটু লাগছে একথা সত্য। কিন্তু এত চমৎকার ইংরেজি! বাহ! বাহ! ড্রাইভার ভদ্রলোক এসি হালকা করে অন করে দিলেন। : আঙ্কেল গ্লাস আপ। এসি-অল আউট। আল্লাহ রহম করো। এটা কি ক্লাস ফাইভও পাস করেনি? বেচারা ড্রাইভার গ্লাস তুলে দিলো। : অই এমনে তাকাও ক্যান? যা কইসি বুঝলেই তো হইলো। আমি কিছু না বলে সোজা তাকালাম। পাগলের সাথে কথা বলে কী লাভ? আমাদের জার্নি যখন শেষ হলো তখন প্রায় সন্ধ্যা হয় হয়। সময় যদিও তখন বিকেল চারটার মতো। ড্রাইভার মনে হয় একটু এক্সট্রা ভাড়া দাবি করছিল। বাস থেকে নেমে চারপাশটা দেখছি। তখন হোটেলে ঢুকবার আগে আবার সেই মধুর ইংরেজিতে হাত নেড়ে সেই ভাবের সাথে রাশেদ বলছে : উই-নো মানি। ইউ হোয়াট ওয়ান্ট? উই বেগ? নো। ইউ বেগ! কী এটা? এমন কেন? সত্যি আমি মুগ্ধ। এত চমৎকার ইংরেজি আমি কেন, আমার চৌদ্দগুষ্টি বলতে পারবে না। কী লাভ হচ্ছে নিশি ইংরেজিতে পড়ে? আচ্ছা রুদ্র এই ইংরেজি শুনলে কী করতো? মাথা ঘুরে পাহাড় থেকে উল্টে পড়তো না?