বিশাল বপুর অধিকারিণী এক নারী এবং তার খর্বাকৃতির প্রেমিক। মণিকাঞ্চন যোগ না হলেও তাদের মধ্যে ভালোবাসার কমতি নেই। তবে যেখানেই যায়, আড়চোখে মানুষের তাকানো দেখে হতে হয় বিদ্ধ। লোকের দৃষ্টি যেন বিষমাখা তীরের চেয়েও বিষাক্ত, সীসার বুলেটের চেয়েও তপ্ত। তারা সিদ্ধান্ত নিলো, এবার হবে ভূমিকা বদল। পুরুষ নেয় নারীর সাজ, আর নারী নিজের মুখে এঁকে নেয় গোঁফ। একে অন্যের জুতো পায়ে গলিয়ে দেখতে চায় জগতটাকে, লোকের কটূক্তিকে। একেক দৃষ্টির সাথে তাদের লড়াইটা একেক রকম। কেউ মানুষের তীক্ষ্ণদৃষ্টির মুখোমুখি হতে ভয় পায়, আবার কেউ বুক চিতিয়ে সটান দাঁড়ায় সকল প্রশ্নের সামনে। মনস্তাত্ত্বিক দিক ভাবলেও দৃষ্টির প্রভাব ব্যাপক। আর হ্যাঁ! ১৮৮০'র দশকে ইস্তাম্বুলে আয়োজিত অদ্ভুত এক "ফ্রিক শো" এর গল্পটা যে আপনাদের বলতেই হবে! এখানে মানুষ দেখে মানুষকে। খাঁচার ভেতরে মানুষ, খাঁচার বাইরে মানুষ। ভেতর থেকে বাইরে এক দৃষ্টি আর বাইরে থেকে ভেতরে আরেক। পাঠক, এলিফ শাফাকের জাদুকরী দুনিয়ায় আপনি আহনাফ তাহমিদের অনুবাদে আরও একবার আমন্ত্রিত।