ফরিদা বেগম কিছুটা টানাটানি থাকলেও স্বামী সন্তান নিয়ে ভালোই সংসার চালাচ্ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করেই পাল্টে গেলেন তিনি। একটি প্রাইভেট কোম্পানির ম্যানেজারের একটি প্রস্তাব ফরিদার মনের সুপ্ত লালসাকে বাড়িয়ে দিয়েছে। ফরিদার স্বামীরা দুই ভাই। দু’ভাই মিলে চার কাঠা জমি। কিন্তু সম্পত্তির লোভে একজন পেশাদার খুনির চাইতেও ধীরস্থির এবং পরিকল্পিতভাবে দেবর এবং দেবরের পরিবারকে হত্যার পরিকল্পনা করলেন ফরিদা। কাঁটা দিয়ে কাঁটা তুলতে হবে। তোমাদের ওই শয়তান ভাগ্নে রাজেন আমাদের সবাইকে খুন করতে এসেছিল। বড় বুদ্ধি করে সবাইকে বাঁচিয়েছি। সে আমাদের ঘরের বাইরে এসে দাঁড়িয়েছিল। আমি যখন খাবারের পাত্র নিয়ে আদিদের ঘরে যাবার জন্য দরজা খুলেছি তখন সামনে এসে গলায় ছুরি ধরে...