‘প্লানচেট কাকুরা, আপনারাতো জানেন আজ ৪৭ বছরের অধিক আমি বনানীতে আছিঃ কিন্তু কোনদিন প্রিয় বাপুজির দেখা পাইনি। অন্তরে শুধু হাহাকার, বেদনার শিশির আর আর্তনাদ। আপনারা ‘হাসু বুবুু’ কে বলুন, যেমন তিনি পাকিস্তান থেকে ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ পাইলট মতিউর রহমানকে বুদ্ধিজীবি সমাধীতে পুনঃস্থাপন করেছেন। তেমনি আমাকেও এবং সম্ভব হলে আমাদের পরিবারের সবাইকে যেন, টুঙ্গিপাড়ায় পাঠিয়ে দেন। আমরা বললাম- ঠিক আছে, তোমার আর্জি আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, তোমার হাসু বুবু কাছে অবশ্যই পাঠাবার চেষ্টা করবো। কিন্তু এখন বলতো, তোমার এই জীবন আর মরণের অধ্যায়ে সবচেয়ে আনন্দ-বেদনার কি স্বাদ পেয়েছ? রাসেল বলল- মরণে একমাত্র কষ্ট বাবুজিকে কাছে না পাওয়া, কিন্তু মামনি, প্রিয় ভাই, ভাবি ও অন্যান্য আত্মীয়দের কাছে পেয়ে ভালোই আছি। কিন্তু জীবনে, মরণের পূর্বে’ বাবুজি, মামনি, প্রিয় ভাই, ভাবি ও অন্যান্য আত্মীয়দের লাশ দেখতে পাওয়ার বেদনা কখনও ভুলতে পারি না। কেন যে উর্দি পরা ঐ শয়তানগুলো আমাকে প্রথম মারল না? তাহলে ঐ ভয়ংকর দৃশ্য দেখার তীব্র বেদনা পেতাম না।