“এ তুমি কেমন তুমি?” আমি লিখেছিলাম খুবই হালকা মুডে। লিখতে লিখেতে খেয়াল করলাম গল্পটা গভীর থেকে গভীরতম হতে শুরু করেছে। সোজাসাপ্টা একটা প্রেমের গল্প লিখতে গিয়ে কেমন যেন জটিল হয়ে যাচ্ছে। লেখকের লেখা কখনও নিয়ন্ত্রণ করতে নেই আমিও করলাম না। এ বছর আমার জীবনে বেশ কিছু পরিবর্তন আসে। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আমার একমাত্র কন্যা ইরাবতী উচ্চশিক্ষার জন্য আমাকে ফেলে সাত সমুদ্র তের নদীর পারে চলে যায়। কি হাস্যকর আমাকে তো ফেলেই যাবে এটাই স্বাভাবিক সে নিশ্চই আমাকে বগলদাবা করে সবখানে নিয়ে ঘুরতে পারবে না। আমি ভেবেছিলাম সে চলে যাবার পর রাজ্যের কাজ করতে নেমে পরব। বেশ কিছু প্রজেক্ট প্ল্যান ছিল কিন্তু আমার শরীর মন দুই বদ জিনিষই বাঁধ সাধলো। আমার কাজের গতি কমে গেল। সারাক্ষণ মিউমিউ করে কন্যার কথা ভাবি। এই আমিটাকে আমি একদম চিনি না। আমি ভীষণ শক্ত মানুষ। সেই আদিযুগ থেকেই আমি নানা কিছু মোকাবেলা করেই আজকের দিনে বেঁচে আছি। অথচ কন্যা বিচ্ছেদ আমাকে কেমন যেন পোতানো বেলুনের মতো নেতিয়ে দিল। দেখা যাক কতদিন এমন পোতানো থাকবো। তবে খুব একটা খারাপ লাগছে না। মাঝে মাঝে ভাবলেশহীন জীবন কাটাতেও আনন্দ আছে। কি বলেন?