বলতে বলতে সুমোহনের চোখ চিকচিক করে। জল ভরে যায় চোখে কিন্তু সুমোহন জল মোছে না চোখের জল গাল বেয়ে গড়ায়। তারপর উৎফুল্ল হয়ে বলে, আমার পড়ালেখা যখন প্রায় শেষ তখন আশ্রমের অবস্থা বদলাতে শুরু করলো। আমরা কিছু কিছু বিদেশি সাহায্য পেতে শুরু করলাম। সাহায্য আসতো ফ্রান্স থেকে। তখন আমাদের আর ভিক্ষা করতে যেতে হতো না। বিদেশি টাকা দিয়ে আশ্রমের জন্য জমি কেনা হলো। জমিতে কৃষিকাজ হতো। টিউবওয়েল বসানো হলো। জলের ব্যবস্থা হলো। ধানভানার মেশিন এলো। ফলের বাগান গড়ে উঠলো।