আগ্নেয়গিরি দ্বারা পরিবেষ্টিত ছিল আমার কারাদণ্ডিত ঘরখানা, চার দেয়ালের মধ্যে থাকা আগুনের আলোতেই - আলোকিত হতো আমার সেই ঘর। সাদা কালো রং মিশ্রনে নিঃশ্বাস খুজে পেতে আমার প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করতে হতো ভিতরের যন্ত্রগুলোর মধ্যে হয়ে ছিল বড় বড় জংপোকা, অপেক্ষায় থাকিতাম সদয় কত মানুষের অন্তর আত্মার সমপ্তি হয় তবে আমার কেন নয় ? ভাবিয়া ভাবিয়া কতযুগ আমাতে পড়িলো ঢাকা সাধ্য আছে কার, তাহা কলমে লেখা। হঠাৎ শো শো শব্দ করিয়া বাতাসের রূপ ধরিয়া কে দিলো ভাঙ্গিয়া আমার কারাদণ্ডের ঘরখানা, মরন খাট থেকে আমায় আনিলো বাচিয়া আমি তাহার দুহাত ভরিলাম মনি মুক্তার অলংকার দিয়া আরও বিনয় করিয়া বলিলাম ওহে দেবদূত, তুমি পৌঁছিয়ে দেও আমায় পরশ পাথরে ঘেরা আমার বাংলা মাটির দেশে, সেথায় আমার মা রহিয়াছে আচল পাতিয়া পথের ধারে ধুলায় বিছিয়া।