ঘুম থেকে জেগে উঠে অলিন্দ দেখতে পেলো চারপাশে ঘুটঘুটে অন্ধকার। ভয়ে আতংকিত অলু মা, বাবা, স্ত্রী, কন্যাকে ডাকতে থাকলো কিন্তু কেউ এগিয়ে এলোনা। একসময় বুঝতে পারলো ঘুমের মধ্যেই মৃত্যু হয়েছে তার। অসচেতনভাবে কাটিয়ে আসা জীবনের অসৎ কর্মগুলো যন্ত্রণা দিচ্ছে আর সৎকর্ম গুলো বুলিয়ে দিচ্ছে প্রশান্তির পরশ। যন্ত্রনা থেকে মুক্তি পেতে অলু ছুতে বেড়াচ্ছে গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে। মানব জীবনের অজানা সত্য একটু একটু করে উপলব্ধি হলো তার নিকট। সে এনুধাবন করলো, জীবিত অবস্থায় অধিকাংশ মানুষের শরীর জেগে থাকলেও আত্মা ঘুমিয়ে থাকে। অকস্মাৎ ঘুম ভাঙলো অলুর। জেগে উঠলো আত্মজ্ঞানে সমৃদ্ধ এক নতুন অলিন্দ।