এলাকায় শেখরা তখন বেশ দাপুটে ছিল। কলকাতাগামী শেখদের জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়া নৌকা আটক করে মিস্টার রাইনের লোকজন। কয়েক দফা মারামারি হয় শেখদের সাথে রাইনের লোকজনের। অন্যায়ভাবে শেখদের নৌকা আটকে রাখার দায়ে মামলা হলো কোর্টে। সাক্ষ্য-প্রমাণে রাইন যে অন্যায় করেছে তা স্পষ্ট হয়ে যায়। তখনকার দিনে বিচারের নিয়ম ছিল ক্ষতিগ্রস্তের কাছে লোকসানের পরিমাণ জেনে সেই পরিমাণ অর্থদণ্ড দেবেন দোষীকে। শেখ কুদরতউল্লাহর কাছে কোর্ট জানতে চাইল, আপনার কত টাকা ক্ষতি হয়েছে? ক্ষতিপূরণের সব টাকা দেবে রাইন। শেখ কুদরতউল্লাহ ভেবেচিন্তে আধা পয়সা ক্ষতিপূরণ চাইল। আদালতে কানাঘুষা শুরু হয়ে গেল। আধা পয়সা জরিমানার কথা শুনে অনেকেই হতাশ হয়েছিল। সবচেয়ে বেশি দুঃখ পেয়েছে রাইন। আধা পয়সা জরিমানা দেওয়ার চেয়ে তার কাছে অপমানের আর কিছুই নেই....