হাউ টু উইন ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ইনফ্লুয়েন্স পিপল ভূমিকা এক আমেরিকান লেখক, বক্তা, এবং আত্মোন্নতি, বিপণন, প্রাতিষ্ঠানিক বিষয়ে প্রশিক্ষণের বিশেষজ্ঞ, আন্তঃসম্পর্ক বিষয়ে দক্ষ, ডেল কার্নেগি ছিলেন এক দরিদ্র কৃষক সন্তান, জেমস উইলিয়াম কার্নেগি ও আমান্ডা এলিজাবেথ হার্বিসন-এর দ্বিতীয় পুত্র। ১৮৮৮ সালে মিসৌরির মেরিভিল-এ তাঁর জন্ম। কিশোর বয়সে গোরুর দুধ দুইতে ভোর চারটায় তাঁকে শয্যা ত্যাগ করতে হত। তা সত্ত্বেও ওয়ারেনসবার্গ-এর স্টেট টিচার্স কলেজে লেখাপড়া করার সুযোগ করে নিয়েছিলেন। কলেজের পর পশুখামারের মালিকদের পত্রযোগে শিক্ষাদানের পাঠক্রমের বই বিক্রি করা ছিল তাঁর প্রথম চাকরি। এরপর তিনি ঢুকলেন আর্মার অ্যান্ড কোম্পানিতে শূকর মাংস, সাবান ও পশুচর্বি বিক্রি করতে। কার্নেগি বিক্রয় বৃত্তি ছাড়লেন ১৯১১ সালে, পাঁচশো ডলার জমানোর পর, তাঁর জীবনের স্বপ্ন চাউতাউকুয়া (ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষে ও বিংশ শতাব্দীর গোড়ায় আমেরিকায় প্রভূত জনপ্রিয় বয়স্ক শিক্ষা ও সামাজিক আন্দোলন) বক্তা হবার লক্ষ্যে, কিন্তু তার পরিবর্তে প্রবেশ করলেন নিউ ইয়র্কের আমেরিকান আকাদেমি অফ ড্রামাটিক আর্টস-এ। অভিনেতা হিসেবে সামান্যই সফলতা পেয়ে ফিরে গেলেন নিউ ইয়র্কে, বেকার, প্রায় দেউলিয়া অবস্থায়। ওয়াই.এম.সি.এ-তে থাকাকালীন বক্তৃতাশৈলী শিক্ষাদানের কথা মাথায় এল। প্রথম অধিবেশনেই প্রচারমূলক সব কাগজপত্র নিঃশেষ হয়ে গেল। যখন তিনি শিক্ষার্থীদের ডাকলেন বক্তৃতা দিতে, ‘যা তাদের রাগিয়ে তুলেছে এই বিষয়ে, তখন আবিষ্কার করলেন তাঁর কৌশলটি বক্তাদের জনসভায় নির্ভয়ে বক্তৃতা দিতে শিখিয়েছে। এই ভাবেই ১৯১২ সালে ডেল কার্নেগি শিক্ষাক্রমের উৎপত্তি। ১৯১৪ সালে, সাধারণ আমেরিকাবাসীর অধিকতর আত্মবিশ্বাসী হবার আবেগ কাজে লাগিয়ে কার্নেগির সাপ্তাহিক আয় সপ্তাহে পাঁচশো ডলারে পৌঁছল। ১৯১৬ সালের মধ্যেই কার্নেগি হল ভাড়া করে ভিড়ে ঠাসা হলে বক্তৃতা দিলেন।