ছড়া সবসময় নির্ভুল ছন্দেই লেখা হয়ে থাকে। এই বইয়ের ছড়াগুলোও তার ব্যতিক্রম নয়। মিল, ¯^তঃস্ফ‚র্ত মিল; কানকে এবং জিভকে আনন্দ দেয় পড়ার সময়। আমি তাকে গান লেখার পরামর্শ দিয়েছিলাম এ কারণেই। তার ছড়ায় পাখির ওড়া-উড়ি; শুধু তাই না, নিজের গ্রাম নদী, জলাশয় গাছগাছালি এ সবের উত্তাল প্রবেশ পাঠককে প্রকৃতির কাছে নিয়ে যাওয়ার অম্লান আমন্ত্রণ। তার লক্ষ্য শুধু মম মল্লিকা নয় সব ছেলেমেয়ে- এ জন্য আরও ভালো লেগেছে। পরিবেশ দুষণরোধে লেখকরাই সচেতনতা সৃষ্টি করে থাকেন। শিশু-কিশোরদের জন্য কবিতা খুব কমই চোখে পড়েছে, হলেও পদ্যাক্রান্ত। তিনি যদিও ছড়াকার আমীরুল ইসলামের অনুসারী আমার মতোই, এবার তিনি কবিতাই লিখেছেন, এ্যাবসার্ডিটি- ফ্যান্টাসির পাড় ঘেঁষাÑ তিনি নতুন নামকরণ করেছেন ছড়া-কবিতা। মানবিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত করা, উৎসাহ- প্রণোদনা দেওয়াই তার লক্ষ্য বোঝা যায়। লিখতে লিখতে ভাষা আন্দোলন, আমার দেশের খুটিনাটি বিষয় থেকে শুরু করে নিজের শৈশবের স্মৃতি এসবই বইটিতে জায়গা করে নিয়েছে। না, বেশ লেগেছে আমার সুপান্থ মিজানের ‘হিজল ফুলের ঘ্রাণ’। আশা করি তার কলম অব্যাহত গতিতে এগোবে। আসাদ চৌধুরী ঢাকা। ০৭-০২-২০২২