ভূমিকা রবীন্দ্র পরবর্তী কবিরা অনেকেই নিজস্ব অনুভব ও আবেগের কাছে উৎসর্গীকৃত থাকতে চেয়েছিলেন। সামাজিক প্রেক্ষাপট, চর্তুদিকের নৈরাশ্য, জটিল বিষাক্ত প্রতিবেশের মধ্যে বসবাস করেও, এরা প্রত্যেকেই ভিন্ন ভিন্ন প্রক্রিয়ায় আত্মস্থ করেছিলেন অভিজ্ঞতা। দৃষ্টিভঙ্গীও ছিল আলাদা। জীবনানন্দ বলেছিলেন কবিকে ‘কোবিদ’ হতে হয়।‘কোবিদ’ অথাৎ জ্ঞানী। পারিপার্শ্বিক জীবন থেকে আহরিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা লালনের স্বতন্ত্রতায়, প্রকাশভঙ্গীর মাধুর্যে, আঙ্গিকের অভিনবত্বে কবিরা হয়ে ওঠেন নিজস্ব কাব্যভাষার অধিকারী। কবি সানাউল্লাহ সাগরের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ‘ সাইরেন’ এর পাণ্ডুলিপি হাতে পেয়ে এই পুরানো কথাগুলোই মনে পড়ল নতুন করে।