দিনশেষে আয়নায় নিজেকে দেখাই বোধহয় শেষ কথা! যা বলতে চায় মন, সবসময় তা বলা হয় না- হয়ে ওঠে না, কখনো কখনো বলা যায় না। ভেতরে জমে থাকা ক্ষোভ ও রাগের বহিঃপ্রকাশ ঘটানোর যথাযথ প্ল্যাটফর্ম মেলে না, তবে মিলিয়ে নিতে হয়, মেনে নিতে হয়। কারণ অনিবার্য খড়গের আড়ালে কারুকাজ করে ফেলাই চূড়ান্ত শিল্প কিংবা তাকেই নান্দনিকতা বলা যায়- সেটার একটা রূপও হয়তো কবিতা। কবিতা কী? এ নিয়ে নানাবিধ বিতর্ক এবং তর্ক দুটোই সমান্তরালে রয়েছে, তবে কবি জাফর সাদিক “যে কবিতা জীবনানন্দের নয়” বলতে যে টুইস্ট ও দ্যোতনা নামকরণেই করেছেন- সেটাকে অনুধাবন ও অনুগমন যেমন জরুরি তেমনি শব্দ ও ধ্বনির আড়ালে যে কষাঘাত, সেটাকে আবিষ্কার করতে গেলে উঠে আসে রুদ্ধ ও বদ্ধ জীবনের পারিপার্শ্ব ও নাভিশ্বাস হয়ে ওঠা অবদমিত চিৎকার কিংবা রাতের গহিনে লুকিয়ে থাকা কোনো শীৎকার! হে পাঠক, আসুন চিৎকার ও শীৎকারে সম্মোহিত হই! -রাহেল রাজিব, কবি