যৌবনকাল বড় মধুর কাল। জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করে তা পূর্ণতার অভিমুখে এগিয়ে যাওয়ার শ্রেষ্ট সময়। যৌবনের শুরুতেই নানারকম প্রলোভন যেমন উপস্থিত হয়, তেমনি সম্ভাবনার অনন্ত দুয়ারও খোলা থাকে। কেউ হয়তো প্রলোভনে পড়ে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয় আবার কেউ যৌবনকালের উত্তম ব্যবহারে লক্ষ্য অর্জনে সফলতার সুউচ্চ চূড়ায় আরোহণ করতে সক্ষম হয়। যৌবনের তাড়নায় প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে মনে উদিত হয় প্রেম। কারো ক্ষেত্রে প্রেমের পরিণতি সুখকর হয় মিলনের মধ্য দিয়ে। আবার কারো ক্ষেত্রে অপ্রাপ্তির বেদনাবোধই জীবনের পরম সার হিসেবে নির্দিষ্ট হয়। আইয়ুব মুহাম্মদ খান অকৃত্রিম দরদ ও বিশ্লেষণী অন্তর্দৃষ্টিতে বাংলার গ্রামীণ পরিবেশে কৈশোরিক প্রেম এবং প্রেমের পরিণতিকে আশ্রয় করে বাস্তবসম্মত সংবেদনগ্রাহ্য ভাষাচিত্র অঙ্কন করেছেন এ উপন্যাসে।