পুরুষ শাসিত সমাজে নারী এক নীড়হারা পাখির নাম। জীবনের পরতে পরতে অপমান সহ্য করাই নারীরভাগ্য। নারী হয়েও একজন নারী আরেকজন নারীকে সহমর্মিতা দেয় না। যে প্রেম নীরবে কাঁদে’ উপন্যাসের নায়িকার জীবনও তাই। বাপের কাছে কিছু পেলেও প্রেমিকপুরুষটা স্বামী হয়ে পাল্টে যায়। নারী কাঁদে, নারী ক্ষয়ে যায়। বাপের বাড়িতেসে অপাংক্তেয়, স্বামীর বাড়িতে সে অসম্মানিত, সন্তানের কাছে বেকডেটেট! শান্তি নাই জীবন ক্ষয়ে দিয়ে, সুখ নেই সন্তান জন্ম দিয়ে। নারীর হৃদয়ে প্রেমনীরবে কাঁদে। প্রেম দিয়ে সে প্রেম পায় না। বাৎসল্য রসে পূর্ণ সে। কিন্তু তার পরিণতি হাওয়ায় ভেসে বেড়ানো তুলোর মতো। অশ্রুঝরে, আগুন জ্বলে অন্তরে। নারী আজীবন ভালোবাসার আগুনেপোড়ে। এই দহন নীরবে। তার ভালোবাসার বৈশ্বিককোন স্বীকৃতি নেই। উপন্যাসটি সামাজিক পর্যবেক্ষণে রচিত। কারোর জীবনের সাথে মিলে গেলে তা কাকতালীয়। উপন্যাস প্রকাশে ঘিওর সরকারি কলেজের কম্পিউটার চালক আশিক মাহমুদ-এর পরিশ্রম অনস্বীকার্য। উপন্যাসটি কারও ভালো লাগলে পরিশ্রম সার্থক হবে।