কাহিনির প্রধান চরিত্র স্নিগ্ধা। ছাত্রী ভালো, রূপে গুণে অনন্যা চঞ্চল মন মানে না কোন মানা ভালো লেগে গেলো সৌরভকে ভালোলাগা থেকে ভালোবাসা ভালোবাসা থেকে প্রেমের গভীরতা। নিয়তির পরিহাস প্রেম সফলতা পায়নি স্নিগ্ধা এখন তাই অন্যের ঘরণী পলাশ হয়ে উঠলো তার নতুন ধরণী। পাড়ি দিলো সাত সমুদ্র তের নদীর পাড় সৌরভকে হারিয়ে পলাশের সাথে বাঁধলো সংসার মেয়েদের জীবন বিচিত্র এ ধরায় মন না মানলেও মানিয়ে নিতে হয়। প্রাচুর্যতা নেই, নেই ভালো থাকার আকাক্সক্ষা স্বাভাবিক জীবন যাপন নিয়ে দেখা দিলো শংকা দূরদর্শী আর মেধাবী স্নিগ্ধা অনন্যোপায় বেহাল চাকরিতে ঢুকলো ধরলো সংসারের হাল। দিন মাস বছর পেরিয়ে সংসার ভারী হলো কঠোর পরিশ্রম আর আত্মত্যাগের বিনিময়ে সংসারে স্বাচ্ছন্দ ফিরে এলো বিধিবাম এ সুখ সইলো না কপালে পলাশ আক্রান্ত হলো দুরন্ত ক্যানসারে হাজার চেষ্টাতেও শেষ রক্ষা হলো না তার ছেলেমেয়ের ভবিষ্যৎ সংসারের দায়ভার শুরু হলো নতুন অধ্যায় জীবনের। হতাশা আর কষ্টের মাঝে চলছে সময় ঘড়ি নাটাই রয়েছে বিধাতার হাতে উড়ছে জীবন ঘুড়ি।