চার বছর বাদে খোলা আকাশ দেখবে মনির। জেলের বদ্ধ জীবনকে বিদায় বলতে হবে। প্রথমে বাহির হয়ে গুলিস্তানের পথে পা বাড়াবে,খুঁজবে সস্তার কোন ভাতের হোটেল। হোটেলে বসে তৃপ্তিতে বড় মাছের; মাথা দিয়ে পেটপুরে ভাত খাবে। জেলের খাবার খেয়ে মুখে স্তর; জমে রয়েছে আজ বহুকাল হয়। এগুলো সবই জেলের বদ্ধ; কুঠুরীতে মনিরের প্রতিদিনের পরিকল্পনা,একদিন সকল যল্পনা, কল্পনার অবসান ঘটবে,সেটা হতে পারে আগামীকাল সকাল অথবা পেরিয়ে যাওয়া মহাকাল। মধ্যরাতের ট্রেনটা প্রতিদিন প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষা করে করে, ছেড়ে চলে যায় গন্তব্যে। জোনাকপুরে মনির যাবে মধ্যরাতের ট্রেনে চেপে,বইবে দক্ষণা হাওয়া সাথে হয়তো বৃষ্টি! আহ এমন রাত্রী কবে আসবে? জোনাকপুরে অপেক্ষমান; ছায়ামূর্তি প্রতিরাতে যেন, হাত বাড়িয়ে ডাকছে মনির কে। জেলের জীবন শেষে,ভেতরের কতক গুলো অদ্ভূত চরিত্রদের রেখে একদিন মুক্তির ভোর নেমে আসে। তারপর কি হয় জানতে হলে যেতে হবে জোনাকপুর। শুধু মনির নয় মিশে আছে তার অতীত যেখানে। এক জীবনে যত অভিজ্ঞতা সঞ্চয় হয়েছে,তার সাথে মিশে আছে অনেক চরিত্রের সমাহার। আজও অবচেতনে যেগুলো কথা বলে ওঠে।