ফজর আলী ছিল অতি সাদামাটা গ্রাম্য যুবক। বয়স ৪০/৪৫। পেশায় একজন মুরগির ব্যবসায়ী। জোড়াকাক উপন্যাস শুরু হয়েছে ফজর আলীকে ঘিরে। তার দুলাভাই এদেশের একজন প্রভাবশালী নেতা। আর একদিন এই দুলাভাইয়ের লেজে ভর করে রাজনীতির মাঠে আবির্ভাব ঘটে ফজর আলীর। কিন্তু ফজর আলী একেবারে অক্ষরজ্ঞানহীন। সংসদে দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারে না মােটেও। সে জীবনে মিছিলে যায়নি, মানববন্ধন করেনি, এমনকি জনস্বার্থে কথা পর্যন্ত বলেনি। কিন্তু দুলাভাই যে ফজর আলীকে নেহায়েত ভালােবেসে রাজনীতিতে এনেছিলেন এমন নয়; এর পেছনেও আছে রাজনীতি, আছে ইতিহাস। কিন্তু কি সেই ইতিহাস? কি সেই রাজনীতি? প্রতিটা মানুষই একজন রাজনীতিবিদ, প্রতিটা মানুষই রাজনীতি করে। জোড়া কাক লেখা হয়েছে মানুষের অন্তর্নিহিত রাজনীতি নিয়ে। সাধারণ রাজনীতি বলতে আমরা যা বুঝি এই রাজনীতি সেখান থেকে কিছুটা ভিন্ন।